অনুবাদ: হযরত ইকরামা (রা.) বলেন, আমি মক্কায় এক (বৃদ্ধ) ব্যক্তির পিছনে নামাজ পড়েছি। তিনি সেই নামাজে বাইশবার তাকবীর বললেন। আমি ইবনে আব্বাসের কাছে এ কথা বর্ণনা করে বললাম, লোকটি এক নির্বোধ। (এ কথা শুনে) তিনি (ইবনে আব্বাস) বললেন, তোমার মা তোমার জন্য অশ্র“পাত করুক, আবুল কাসেম (আল্লাহর নবী) এর সুন্নত তো এটিই। অর্থাৎ এ লোকটি যেভাবে নামাজ পড়েছে আল্লাহর নবী (সা.)-ও ঐভাবে নামাজ পড়তেন।
অনুবাদ: হযরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) যখন নামাজে দাঁড়াতেন, তখন শুরু করার সময় তাকবীর বলে শুরু করতেন। এরপর যখন রুক‚তে যেতেন, তখনও তাকবীর বলতেন এবং প্রথম রাকাআতের রুক‚ হতে উঠার সময় سَمِعَ اللَّهُ لَمِنْ حَمِدَهُ বলতেন। এরপর দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলতেন। এরপর সিজদার জন্য নীচু হবার সময় সিজদা হতে মাথা উত্তোলনের সময় এবং পুনরায় সিজদায় যাবার সময় তাকবীর বলতেন। পরে সিজদা হতে মাথা উত্তোলনের সময় আবার তাকবীর বলতেন এবং এভাবেই নামাজ শেষ করতেন। আর দুই রাকাআত পড়ে বসার পর যখন উঠতেন, তখনও একবার তাকবীর বলতেন।
শিরোনামের উদ্দেশ্য: ইমাম বুখারীর উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট। তিনি বলতে চাচ্ছেন যে, এক রোকন থেকে অন্য রোকনে যাওয়ার সময় যে সমস্ত তাকবীরাত রয়েছে বিশেষ করে সিজদা থেকে ওঠার সময় তাকবীর বলা লোকের বর্জন করে ফেলেছে। তিনি বলতে চাচ্ছেন যে, সিজদা থেকে ওঠার সময় তাকবীর বলতে হবে।
কোন মন্তব্য নেই